
নিজস্ব প্রতিবেদক-
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে জালিয়াতির মাধ্যমে হোল্ডিং ট্যাক্স কমিয়ে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দূর্নীতি দমন কমিশন - দুদক। দুপুরে অভিযোগের ভিত্তিতে নগরীর টাইগার পাসস্থ সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদক।
দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম জানান, জালিয়াতির মাধ্যমে হোল্ডিং ট্যাক্স কমিয়ে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে কর্পোরেশনের রাজস্ব, আইন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে নথিপত্র যাচাই-বাছাই করা হয় এসময় ইছহাক ব্রাদার্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও ইনকন্ট্রেড লিমিটেড নামে দুটি প্রতিষ্ঠান রাজস্ব কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ফিল্ড বুকে ঘষামাজা করে ২৫ কোটি টাকারও বেশি কর ফাঁকি দেয়। প্রথমিক তদন্তে দুদক প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ ও সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তরা জড়িত থাকার প্রমান পাওয়া কথা জানান তদের নামে মামলার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সিটি করপোরেশনের সচিব মো. আশরাফুল আমিন জানায়, তদন্তে ঘষামাজার মাধ্যমে কর ফাঁকি দেয়ার বিষয়টি প্রকাশের পর জড়িতদের ২জনকে বরখাস্ত ও হিসাব সহকরিদের ওএসডি এর্ং তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
২০১৭–২০১৮ অর্থবছরের পৌরকর নির্ধারণের বার্ষিক মূল্যায়নে এ কর ফাঁকি দেয়া হয়েছিল। পরে নানা আপিল রিভিউ বোর্ডের শুনানিতে বিষয়টি ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপনী থাকলেও বর্তমান সিটি মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন বিষয়টি তদন্তে ৫ সদস্যদের কমিটি গঠন করে।