
নিজস্ব প্রতিবেদক
লুকিয়ে থাকা আওয়ামীলীগের উর্ধতন কোন কর্মকর্তার নির্দেশে কাজ করছে বাকলিয়া থানার ওসি সেজন্য সুনির্দিষ্ট প্রমান থাকার পরও অস্ত্রবাজ সন্ত্রাসীদের ধরছেনা এমন অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাক্তার শাহাদাত হোসেন।
গতকাল গভীর রাতে বাকলিয়া এক্সেস রোডে সংর্ঘষের ঘটনায় নিহত ও আহতদের দেখতে গিয়ে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসাতালে এ অভিযোগ করেন তিনি।
এসময় সিটি মেয়র বলেন, গতকাল রাতে যে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটে এ ব্যাপারে আশংকার কথা ওসিকে জানানো হয়েছে তিনি কোন ধরনের ব্যবস্থা নেননি।
তিনি আরো বলেন, ঘটনায় জড়িত বোরহান, সোহেলসহ যাদের নাম আসছে নিহতের বাবার কথায় তাদের অপরাধের কথা আমি নিজে ও পুলিশ কমিশনার ওসিকে জানিয়েছি এক সপ্তাহ আগে কি কারনে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেনি প্রশ্ন থেকে যায়।
তারা কিছুদিন আগে যুবদলের পিকনিক গাড়িতেও হামলা চালায় এক সপ্তাহ আগে যদি গ্রেফতার করা হত তাহলে আজকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতো না। এই সন্ত্রাসীগুলো আগে আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত ছিল।
এসব অপরাধীদের কোন দল নেই তারা যদি আমার দলেরও হয় তাদেরকে গ্রেফতার করতে হবে বলেও জানান সিটি মেয়র
গতকাল গভীর রাতে নগরীর বাকলিয়া এক্সেস রোড এলাকায় সিটি মেয়র ডাক্তার শাহাদাত হোসেনের চবি সংবলিত ব্যানার সরানো এবং লাগানো নিয়ে বহিষ্কৃত যুবদল নেতা এমদাদুল বাদশা ও আরেক যুবদল নেতা গাজি সিরাজের অনুসারীদের মধ্যে এই সংঘর্ষ ও গুলাগুলির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় রাজনীতিতে এমদাদুল বাদশা ও গাজী সিরাজ দুজনেই সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেনের অনুসারী। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাজ্জাদ হোসেন নামে ছাত্রদলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো১০ জন ।