
তিনি বলেন, আদর্শিক রাজনীতির মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব। জামায়াতে ইসলামীর নেতারা দেশের জনগণের দুঃখ-কষ্টের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং ইসলামী মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে সমাজ সংস্কারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং তৃণমূল পর্যায়ে দাওয়াতি কাজ জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, শহীদ শরিফ উসমান হাদির খুনিচক্রসহ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধার করতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া ভোট গণনা কক্ষসহ নির্বাচনি কার্যক্রম শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করতে হবে, যাতে ভোটের ফলাফলে জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটে এবং ২০০৮ সালের ডিজিটাল কারচুপির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মুহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ।