
চট্টগ্রাম-৫ আসনে নিজের প্রস্তাবক ও সমর্থককে অপহরণের অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টি একাংশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। ৩ জানুয়ারি শনিবার চট্টগ্রাম-৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রামে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র বাতিলের পর ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য কিছুদিন পূর্বে নিজ বাড়িতে আগুন দেয়ার অভিযোগও করেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
বিএনপির প্রতিবাদ ও নিন্দা
মনোনয়নপত্র বাতিলের পর জাপা নেতা ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বিএনপি ও এর নেতাকর্মীদের জড়িয়ে যে ন্যক্কারজনক মন্তব্য করেছেন, তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি এবং হাটহাজারী উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা।
যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আজম উদ্দিন, সাবেক সহ-সভাপতি ও বর্তমান মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন ও এমএ ফায়েজ, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন চেয়ারম্যান এবং হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক জাকের হোসেন ও সদস্য সচিব ওহিদুল আলম ওহিদ।
বিবৃতিতে বিএনপি নেতারা বলেন, শনিবার (৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম-৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদসহ কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। মনোনয়নপত্র বাতিলের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা সুনির্দিষ্টভাবে স্বাক্ষর জালিয়াতির কারণ উল্লেখ করেন।
তবে মনোনয়নপত্র বাতিলের পর এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এ ঘটনার জন্য বিএনপির প্রার্থী হাটহাজারীর জনপ্রিয় ও অবিসংবাদিত তরুণ নেতা ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর দায় চাপান। বিএনপি নেতারা তার এই অভিযোগ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
তারা বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে হাটহাজারীর আপামর মানুষের নেতা ব্যারিস্টার মীর হেলাল কিংবা বিএনপির নেতাকর্মীদের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই।