
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকার থেকে বার্তা গেলে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি অনেকাংশে কমে যাবে বলে মনে করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের মেজবান হলে 'ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান' অনুষ্ঠানে এক অংশগ্রহণকারীর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
চিটাগাং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির বিজনেস স্কুলের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্র বলেন, “আমরা বাংলাদেশের জনগণ রুট লেভেলে একটা প্রবলেম ফেইস করতেছি। সেটা হচ্ছে চাঁদাবাজি। আমরা ছোটখাটো ব্যবসা করতে যাই বা নতুন ঘরবাড়ি বানাতে যাই, আমাদেরকে চাঁদাবাজির প্রবলেমটা ফেইস করতে হয়। আপনি কীভাবে এই প্রবলেমটা সলভ করবেন।”
উত্তরে তারেক রহমান বলেন, আমরা এখানে ছোট এন্টারপ্রেনার যারা তাদের সার্পোট দেওয়ার কথা বলেছি। আমরা এনভাইরনমেন্ট নিয়ে কথা বলেছি। আমরা যে প্ল্যানই করি না কেন আমরা যেই প্ল্যানই করি না কেন, কোনো ইস্যু সাকসেসফুল হবে না যদি আমরা দুটো ইস্যুকে অ্যাড্রেস না করি। একটা হচ্ছে আপনি যে ইস্যুটা বললেন, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা। মানুষের নিরাপত্তা। এটা যদি এনশিওর করতে না পারি আমরা এবং একইসাথে করাপশনকে যদি আমরা অ্যাড্রেস করতে না পারি, তাহলে আমরা যত যাই প্ল্যান করি, হবে না।
দ্বিতীয় বিষয়টা হচ্ছে, যারা করছে এসব কাজ, সেটাকে আমরা হয়ত দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। একটা হচ্ছে ব্যক্তি। সমস্যার সাথে সম্পর্কিত এরকম কিছু মানুষ এটার সাথে জড়িয়ে গিয়েছে। তার কিছু ইনকাম দরকার। জোর দিয়ে সে ইনকামটা করতে চাইছে। আরেকটা হচ্ছে প্রফেশনাল ক্রিমিনাল যারা। তারা এটা করতে চাচ্ছে। তো প্রফেশনাল ক্রিমিনাল যারা, তাদের ক্ষেত্রে আইন অ্যাপ্লিকেবল হবে।
দুর্নীতির সমস্যা বিভিন্নভাবে সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে আছে মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা যে রাতারাতি সবকিছু করে ফেলতে পারব, নট দ্যাট। আমি মনে করি একটা গভার্নমেন্টের মেসেজিং অনেক ক্ষেত্রে অনেক জিনিসকে সঠিক পথে নিয়ে আসতে পারে।
“গভার্নমেন্ট থেকে যদি বার্তা যায়, উই উইল নট টলারেট দিস। তারপরও গভার্নমেন্টের বিভিন্ন প্রিকশন বা স্টেপস থাকবে। কিন্তু যখন মেসেজিং যাবে যে আমরা করাপশন টলারেট করব না, অটোমেটিক কমপক্ষে ২০-৩০ শতাংশ কমে যায় সমস্যাটা।”
র্যাডিসন থেকে সরাসরি চট্টগ্রামের নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন তারেক রহমান।