
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্ষা শেষে শুষ্ক মৌসুমে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি, বাজেট এবং অর্থ বিভাগের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি জানান, সংসদে পাস হওয়া সিটি কর্পোরেশন সংশোধন আইন-২০২৬ অনুযায়ী এবার মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচন দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে সাধারণ প্রতীকে অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে দেশের ১৩টি সিটি কর্পোরেশনের তফসিল একযোগে ঘোষণা করা হতে পারে।
বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে এম আর ইসলাম স্বাধীনের যোগদান অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন সিটি কর্পোরেশনগুলোর কার্যক্রম সচল করতে চলতি অর্থবছরেই প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। জলাবদ্ধতা নিরসন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে তিনি বলেন, “আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে নির্বাচন শুরু হতে পারে। এক বছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের পাঁচ ধরনের নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।”
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন আয়োজন ব্যয়বহুল এবং এতে কমপক্ষে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য আগামী বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখতে নির্বাচন কমিশনকে ইতোমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির প্রস্তুতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একটি বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে সবসময়ই আন্দোলন ও নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকে এবং নতুন করে আলাদা প্রস্তুতির প্রয়োজন হয় না।