
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান সোহেল রানার জবানবন্দি রেকর্ড এবং অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
জবানবন্দিতে সোহেল রানা শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের পর হত্যা করার কথা স্বীকার করেন। এছাড়া লাশ গুমের উদ্দেশ্যে স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের সহায়তায় শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ বিকৃত করার কথাও তিনি স্বীকার করেন।
জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রামিসার বাবা পল্লবীর সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। একই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। নিহত রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে কৌশলে তাকে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় সোহেল রানা। পরে শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।