
নিজস্ব প্রতিবেদক-
চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত মুনির নামের এক যুবককে উত্তেজিত জনতা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে চাইলে পুলিশের সাথে গভীর রাত পর্যন্ত সাধারন জনতার দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিনত হয়।
এঘটনায় সাংবাদিক পুলিশ সহ আহত হয়েছেন ২০জন। ভাংচুর করা হয় একাধিক যানবাহন এবং অগ্নিসংযোগ করা হয় পুলিশের গাড়িতে।
গতকাল বিকেলে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটলেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাকলিয়া এলাকায়।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানায়,বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় আটক ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের গড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে। রাত সাড়ে আটটার দিকে আবারো বিক্ষুব্ধ জনতা সড়কে অবস্থান নিয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে রাখেন।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থালে গিয়ে রাত এগারোটার দিকে আটক ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। এরপর আবারো বিক্ষোভ শুরু করে স্থানীয়রা এসময় পুলিশের সাথে আবারো সংঘর্ষ শুরু হয় চলে রাত ১টা পর্যন্ত।
রাত ১টার দিকে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ফাঁকা গুলি ও টিয়ারগ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
শিশুটিকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, বাকলিয়া চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় চার বছর বয়সী এক শিশু হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়। বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হলে শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। এরপর ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয়রা।