
২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন লিওনেল মেসি। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মোট ১৬ গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন।
মেসির ঠিক পেছনেই রয়েছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা এখন ১৪। সেনেগালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জোড়া গোল করা এই রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড আজ রাতে ইরাকের বিপক্ষে মাঠে নামবেন।
ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সাবেক পিএসজি সতীর্থ লিওনেল মেসির প্রশংসা করে এমবাপ্পে বলেন, বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় থাকা অবশ্যই আনন্দের বিষয়, তবে ব্যক্তিগত রেকর্ডের চেয়ে দলের সাফল্যই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, “আমি জানতাম লিও গোল করবে, কারণ সে সব সময়ই গোল করে। আমি সব সময় তার পেছনে ছুটছি। তবে আমার কাছে রেকর্ডের চেয়ে বিশ্বকাপ জেতাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
চলতি বিশ্বকাপে হ্যারি কেইন ও আর্লিং হালান্ডও গোল পেয়েছেন। তাদের সঙ্গে নিজের ও মেসির তুলনা প্রসঙ্গে এমবাপ্পে বলেন, “ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পাশাপাশি মেসিই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আমি শুধু আমার দলকে আরেকটি বিশ্বকাপ জেতাতে সাহায্য করতে চাই। বাকি সব আলোচনা মূলত গণমাধ্যমের তৈরি।”
হালান্ডকে নিয়ে কোনো প্রতিযোগিতার কথা ভাবছেন না বলেও জানান ফরাসি অধিনায়ক। তার ভাষায়, “আমার পুরো মনোযোগ এখন ইরাক ম্যাচে। আমি শুধু ট্রফিটা ফ্রান্সে নিয়ে যেতে চাই।”
হাস্যরসের ছলে এমবাপ্পে বলেন, “মেসির মতো ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত হয়তো আমি খেলতে পারব না। তার আগেই হয়তো আমাকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে।”
এবারই প্রথম অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এমবাপ্পে। বাড়তি দায়িত্ব ও চাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের হয়ে ইতিহাস গড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ সচেতন। তবে প্রথম ম্যাচে দুটি গোল করলেও কাজ শেষ হয়ে গেছে বলে তিনি মনে করেন না।
ফ্রান্সকে আরও একটি বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেওয়াই এখন তার একমাত্র লক্ষ্য।