প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনার মধ্য দিয়ে হাটহাজারীতে মীর হেলালের গণসংযোগ শুরু হয়েছে।
হাজার হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম -৫ হাটহাজারী - বায়েজিদ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন তার গণসংযোগ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেন।
(২২) জানুয়ারি বিকেলে হাটহাজারীর ঐতিহ্যবাহী অদুদিয়া কামিল মাদ্রাসা মাঠে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এই গণসংযোগ শুরু করেন। এর আগে মাদ্রাসার খোলা মাঠে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে হাটহাজারী ও বায়েজিদ এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার স্বতঃস্ফূর্ত নারী পুরুষ যোগদান করেন।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী, মেয়র ও রাষ্ট্রদূত মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর নাছির বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ধারাবাহিক আন্দোলনের চূড়ান্ত ধাপ। এই নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে গণতন্ত্রের জন্য আত্মাহুতি দেওয়া সকল শহীদ ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার প্রতি সম্মান জানানোর জন্য হাটহাজারী -বায়েজিদ বাসীর প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, যে আপসহীন মজলুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এদেশের মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করার মধ্য দিয়ে আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলাম। আপনারা আমাকে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে খেদমত করার সুযোগ দিন। আমি আপনাদেরকে শান্তি সম্প্রীতির হাটহাজারী -বায়েজিদ উপহার দিব।
মীর হেলাল ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা আমাকে দায়িত্ব দিন, আমি বায়েজিদকে মডেল ওয়ার্ড এবং হাটহাজারীকে উন্নত -নিরাপদ উপশহর হিসেবে গড়ে তুলবো। যেখানে থাকবে না সন্ত্রাস, যানজট, বেকার যুব সমাজ, লোড়শেডিং ও অন্যায় অবিচার। তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষকে বিজয়ী করে তার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব জাকের হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল ফোরকান, প্রফেসর ড. জাফরুল্লাহ তালুকদার, প্রফেসর আশরাফুল আজম খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ সেলিম চেয়ারম্যান, আইয়ুব খান, মহানগর বিএনপির সদস্য ইকবাল চৌধুরী, বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম, এস এম আবুল ফয়েজ, সোলাইমান মন্জু আবদুল্লাহ আল হারুন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য রফিকুল আলম, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুস শুক্কুর মেম্বার,এড. মাসুদুল আলম, আবদুল মান্নান দৌলত, মোহাম্মদ শাহেদ, এডভোকেট রিয়াদ উদ্দিন, ইয়াকুব চৌধূরী, উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শিমুল জেলা স্বেচ্ছা সেবক দলের সদস্য সচিব আকবর আলী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম জনি, জাসাস, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি, কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, ইসমাইল চেয়ারম্যান, হারুন চেয়ারম্যান আবুল হোসেন চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপির সদস্য, আলহাজ্ব রহমতুল্লাহ, গাজী ইউসুফ, মোহাম্মদ ইসমাইল, ওসমান গনি, ইলিয়াস চৌধুরী, সালাউদ্দিন আলী, ডা আবুল খায়ের, মাস্টার আজম, নুরুল আলম মফিজ, কামাল উদ্দিন, নুর খান, নিজাম উদ্দিন হাকিম, সাইফুল আলম, মোজাম্মেল হক, শহীদুল্লাহ বাচা, হোসেন মেম্বার জালালাবাদ ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোহাম্মদ বেলাল, আবদুল করিম মামুন আলম, জাফর আহমেদ খোকন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফখরুল হাসান, সদস্য সচিব নুরুল কবির, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জি এম সাইফুল, পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিন, পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম রকি, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আরেফিন সাইফুল, শ্রমিক দলনেতা নাছির মেম্বার, মোহাম্মদ আজম, মহিলা দলের নাছরীন আকতার, মালা বেগমসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।