• ঢাকা |

সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বাড়ায় মানুষ আতঙ্কে: চট্টগ্রাম জামায়াতের আমির


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ ইং
ছবির ক্যাপশন:

চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, গুম-খুন ও আয়নাঘরের কারিগরদের বিচারপ্রক্রিয়া গতি পাওয়া মাত্রই চট্টগ্রামের ইপিজেড, সিলেট ও ঢাকা বিমানবন্দরসহ সারাদেশে অগ্নিসংযোগ ও চোরাগোপ্তা হামলার মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসী তৎপরতা বেড়ে গেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। 

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক তৎপরতা স্থগিত থাকলেও তারা নামে-বেনামে সক্রিয় রয়েছে এবং ১৪ দলের শরিকদের অপতৎপরতাও অব্যাহত আছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাশাপাশি নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে।

রোববার (৩০ নভেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াত কার্যালয়ে মহানগর কর্মপরিষদ এবং ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারিয়েট সদস্যদের সঙ্গে এক সমন্বয় বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

নজরুল ইসলাম বলেন, জাতীয় পার্টির নেতারা বিভিন্ন টকশোতে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। সাইনবোর্ড পাল্টে স্বৈরাচারের দোসর এসব সন্ত্রাসীরা বড় রাজনৈতিক দলের আশ্রয়ে ছিনতাই, মাদক কারবার, ধর্ষণ, চুরি-ডাকাতি ও খুন-খারাবিসহ নানা গ্যাং কালচার তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। এতে চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক্সেস রোড, চালিতাতলি, জেলা পরিষদ মার্কেটের আশপাশসহ বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ড ও অস্ত্র মহড়ায় মানুষ আতঙ্কিত। ঢাকা ও খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে খুন-খারাবিও চলছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরকে কেন্দ্র করে যে ষড়যন্ত্র চলছে—সিএমপির সাম্প্রতিক পদক্ষেপ, বিশেষ করে পতিত স্বৈরাচারের এক মন্ত্রীর বাসায় অভিযান, কিছুটা আশা জাগালেও জনমনে এখনো পূর্ণ স্বস্তি ফিরেনি। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করতে অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধার অভিযান আরও জোরদার করা জরুরি।

বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইমুনুল ইসলাম মামুন, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম ফজলুল হক, ডা. সিদ্দিকুর রহমান এবং এস এম লুৎফর রহমান।