• ঢাকা |

স্মার্ট গ্রুপের মালিকের বাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় জড়িত দুই সন্ত্রাসী অস্ত্রসহ আটক


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

নিজস্ব প্রতিবেদক-

চট্টগ্রাম নগরীতে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি ও আলোচিত গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদ ও রায়হান বাহিনীর দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ।

অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি বিদেশি পিস্তল, গুলি ভর্তি ম্যাগাজিন ও শর্টগানের বিপুল পরিমাণ কার্তুজ।

শনিবার (২৩ মে) বিকেলে সিএমপি কমিশনার কার্যালয়ের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-উত্তর) মো. হাবিবুর রহমান প্রাং।

গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন রাউজান উপজেলার আধার মানিক এলাকার মো. শুভ (২২) এবং কদলপুর শমসেরপাড়া এলাকার মো. সুমন (৩৩)।

ডিবি সূত্র জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চান্দগাঁও থানার পাঠানিয়া গোদা এলাকার গোলাম আলী নাজির সড়কের একটি বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বড় সাজ্জাদ ও রায়হান বাহিনীর অস্ত্রধারী সহযোগী হিসেবে পরিচিত শুভ ও সুমনকে আটক করা হয়।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শুভর কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, আট রাউন্ড গুলিভর্তি ম্যাগাজিন এবং ১৫ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে সুমনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় আরও একটি বিদেশি পিস্তল, সাত রাউন্ড গুলিভর্তি ম্যাগাজিন ও একটি খালি ম্যাগাজিন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিবির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান প্রাং বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন যে তারা শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদ ও রায়হানের নির্দেশে নগরের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি নগরের চন্দনপুরা এলাকায় চাঁদাবাজির জেরে স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান ও চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ এলাকায় যুবক রাজু হত্যাকাণ্ডেও তাদের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে রাউজান থানায় পৃথক হত্যা মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় চান্দগাঁও থানায় অস্ত্র আইনে আরও একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

নগরীতে সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে ডিবির এ অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।