পুলিশি অনুসন্ধানে জানা যায়, শিশুদের পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক সমস্যা চলছিল। খোরশেদ আলম, শিশুদের বাবা, জানান—প্রায় ছয় মাস আগে তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘর ছেড়ে চলে যান। পরে বাবা খুঁজতে গিয়ে জানতে পারেন, স্ত্রী তার ছোট প্রতিবন্ধী সন্তানকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ব্যবহার করতেন।
অনুসন্ধানের একপর্যায়ে পুলিশ মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে পার্শ্ববর্তী বাঁশখালী উপজেলা থেকে শিশুদের বাবা খোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করে। আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, “শিশুগুলোর বাবা পুলিশি হেফাজতে আছেন। শিশুরা বর্তমানে জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে নিরাপদে আছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
শিশুগুলোর নিঃশব্দ কান্না, কাঁপা হাত ও অসহায় চাহনি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সবচেয়ে ভঙ্গুর প্রাণ হলো শিশু। তাদের নিরাপত্তা ও স্নেহই মানবিক দায়িত্ব। আয়েশা ও মোরশেদের জন্য দয়া, সহানুভূতি ও নিরাপদ আশ্রয় এখন সকলের অঙ্গীকার হওয়া উচিত।