নিজস্ব প্রতিবেদক-
আগামী ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট বাছাই এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৬ আগস্ট এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট।
ইসি সচিব জানান, ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা পাওয়া গেছে এবং তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। এখন নির্বাচন আয়োজনের বাকি প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন।
তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ‘নির্বাচন কর্তা’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এ নির্বাচনে ভোটার হবেন জাতীয় সংসদের সদস্যরা।
গত ২৪ জুলাই গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।
'রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১' অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্যরাই এ নির্বাচনের ভোটার। একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হয়। এছাড়া প্রার্থীর নিজস্ব সম্মতিসূচক স্বাক্ষরও থাকতে হয়।
সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একবার ভোটগ্রহণ হয়েছিল। এরপর প্রতিটি নির্বাচনেই ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন।