চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ফাজিল খাঁর হাট এলাকায় বিএনপির অঙ্গসংগঠন ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। ঘটনার জন্য দুই দলই পরস্পরকে দোষারোপ করছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য মঞ্জুর আলম, ছাত্রদল নেতা মো. ইমনসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, তাদের নেতা আলমগীর, এনাম ও মামুনসহ ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এস এম ফারুক হোসেন অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন হিন্দুপাড়ার ভোটারদের কেন্দ্র করে জামায়াত নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা থেকে এ ঘটনার সূত্রপাত। তাঁর ভাষ্য, দৌলতপুর জামে মসজিদে নামাজ আদায় করতে গেলে যুব সংগঠনের এক নেতার নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়।
পাল্টা অভিযোগ করে কর্ণফুলী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মনির আবছার চৌধুরী বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও মাদক ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে একাধিক দফায় হামলা চালানো হয়। পরে বিষয়টি সমাধানের উদ্দেশ্যে ফাজিল খাঁর হাট বাজারে গেলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা টিটুর নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা করা হয় এবং কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো হয়।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহীনুর আলম জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় মোতায়েন রয়েছেন এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।