শুক্রবার প্রকাশিত এক নীতিগত স্মারকে এ নির্দেশনা দেয় মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সংস্থা। সংস্থাটির তত্ত্বাবধায়ক প্রতিষ্ঠান হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) জানিয়েছে, অস্থায়ী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বিদেশিদের ক্ষেত্রে নতুন এই নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে।
মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, অভিবাসন ব্যবস্থার বিভিন্ন ‘ফাঁকফোকর’ বন্ধ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আবেদন প্রক্রিয়ার জট কমিয়ে অন্যান্য ভিসা ও অভিবাসন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির সক্ষমতা বাড়বে বলেও মনে করছে তারা।
তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী ছাড় দেওয়া হবে কিনা, তা পৃথকভাবে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে নতুন এই নীতির তীব্র সমালোচনা করেছে মানবাধিকার সংগঠন ও শরণার্থী সহায়তাকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। তাদের আশঙ্কা, মানবপাচারের শিকার ব্যক্তি, নির্যাতিত নারী কিংবা ঝুঁকিতে থাকা শিশুদেরও বাধ্য হয়ে সেই দেশেই ফিরে যেতে হতে পারে, যেখান থেকে তারা জীবন বাঁচাতে পালিয়ে এসেছিল।
অভিবাসন বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা বাড়ানোর ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির অংশগ্রহণকারী এবং বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের ভিসার মেয়াদ কমানোর উদ্যোগ নেয়। এছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত হাজারো অভিবাসীর ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।