• ঢাকা |

১৭ বছরে আসলাম চৌধুরীর সম্পদ বেড়েছে ১৫২ গুণ


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

গত ১৭ বছরে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর সম্পদ ছিল তিন কোটি টাকা। এখন  সম্পদ বেড়ে হয়েছে ৪৫৪ কোটি টাকারও বেশি। আওয়ামী লীগের আমলে বেশিরভাগ সময়ে জেলে থাকা আসলাম চৌধুরী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী।

২০০৮ সালের নির্বাচনের হলফনামা অনুযায়ী, আসলাম চৌধুরীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল এক কোটি ৫৯ লাখ ৭১ হাজার টাকা এবং স্থাবর সম্পদ ছিল এক কোটি ২৪ লাখ টাকা। এবারের হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২৬ কোটি ১৬ লাখ ৭৭ হাজার টাকা এবং স্থাবর সম্পদ ৪৩০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। মোট সম্পদ প্রায় ৪৫৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ গত ১৭ বছরে তাঁর সম্পদ বেড়েছে ১৫২ গুণের বেশি।

আওয়ামী লীগের আমরেল কারাগারে যাওয়ার আগে তাঁর ঋণ ছিল সাড়ে ১৭ কোটি টাকা। এখন সেটি বেড়ে ৩৪৫ কোটি টাকা। ঋণের সব টাকা বাদ দিলেও আসলাম চৌধুরীর সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ১১২ কোটি টাকা। 

শুধু সম্পদ নয়; কারাগারে থাকা অবস্থায় বেড়েছে আসলাম চৌধুরীর আয়ও। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জমা দেওয়া হলফনামায় এই রাজনীতিবিদ বার্ষিক আয় দেখিয়েছিলেন ১৪ লাখ ৮ হাজার ৫৯০ টাকা। এবারে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর বর্তমান বার্ষিক আয় ৪৮ লাখ ৩৭ হাজার ২০২ টাকা। অর্থাৎ ১৭ বছরে তাঁর আয় বেড়েছে প্রায় ৩৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা। এটি আগের তুলনায় আড়াই গুণ বেশি। দীর্ঘ কারাভোগ শেষে ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট জামিনে কারামুক্ত হন তিনি। আসলাম চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী জামিলা নাজনিন মাওলা ও তাঁর কন্যা মেহেরিন আনহার উজমা আয়ের উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন ব্যবসা এবং শেয়ার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্র। আসলাম চৌধুরী ব্যবসা থেকে বছরে ৪৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকা এবং শেয়ার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্র থেকে আয় দেখিয়েছেন ৫ হাজার ৩৪১ টাকা।

২০০৮ সালের হলফনামা অনুযায়ী, আসলাম চৌধুরীর নিজের নামে নগদ অর্থ ছিল ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এখন সেটির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। আগের তুলনায় যা প্রায় ১৬৫ গুণ বেশি। ১৭ বছর আগে তাঁর স্ত্রীর হাতে ছিল তিন লাখ ৭২ হাজার টাকা। এখন সেটি হয়েছে পাঁচ কোটি ২২ লাখ টাকা। ২০০৮ সালে তাঁর মেয়ের কোনো নগদ টাকা ছিল না। এখন মেয়ের কাছে নগদ আছে তিন কোটি ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা।