• ঢাকা |

ঢাকা-চট্টগ্রামসহ গুরুত্বপূর্ণ রুটে চলতে পারে বুলেট ট্রেন: চীনের রাষ্ট্রদূত


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে উচ্চগতির রেল প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ রেলপথে বুলেট ট্রেন চালুর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতি আয়োজিত এক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ইয়াও ওয়েন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার (বিসিএম) অর্থনৈতিক করিডোর বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম সেরা পর্যায়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের সফরের মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় হয়েছে। উন্নয়ন, বাণিজ্য, অবকাঠামো ও যোগাযোগ খাতে বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদে সহযোগিতা দিতে চীন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিতে চীন প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের তাজা কাঁঠাল চীনে রপ্তানির জন্য সম্প্রতি একটি প্রটোকল স্বাক্ষর হয়েছে, যা বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের জন্য নতুন বাজারের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে চীনের সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

ঢাকা-চট্টগ্রামসহ গুরুত্বপূর্ণ রুটে চলতে পারে বুলেট ট্রেন: চীনের রাষ্ট্রদূত

 

বাংলাদেশে উচ্চগতির রেল প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ রেলপথে বুলেট ট্রেন চালুর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতি আয়োজিত এক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ইয়াও ওয়েন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার (বিসিএম) অর্থনৈতিক করিডোর বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম সেরা পর্যায়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের সফরের মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় হয়েছে। উন্নয়ন, বাণিজ্য, অবকাঠামো ও যোগাযোগ খাতে বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদে সহযোগিতা দিতে চীন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিতে চীন প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের তাজা কাঁঠাল চীনে রপ্তানির জন্য সম্প্রতি একটি প্রটোকল স্বাক্ষর হয়েছে, যা বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের জন্য নতুন বাজারের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে চীনের সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে।